নতুন ফেনী বিনির্মাণে ফেনীর একমাত্র ব্লগ, href="https://fenirdorpon.blogspot.com/2026/06/blog-post.html ফেনী তথা দেশের বিভিন্ন খবরা-খবর... , খসড়া>

সত্য বলি , মিথ্যা পরিহার করি; * মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে চিন্তা করি * এ জীবনে বড়াই করার কিছু নেই * মানুষের জীবন একখানা বরফখন্ড ছাড়া কিছুই নয়;

আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজায় ইরান সৌদিকে পবিত্র কুরআনের সূরা আল ইমরানের ১৩ নং আয়াত শুনিয়েছে

 সূরা আল ইমরানের ১৩ নং আয়াতের অর্থ-সহ  বিশদ ব্যাখ্যা বিভিন্ন ভাষায় সবার জানা দরকার। এ আয়াতের অর্থ ইরান কেন সৌদির মতো রাষ্ট্রকে শোনালো- 

 সূরাঃ ৩/ আলে-ইমরান | Al-i-Imran | آلِ عِمْرَان আয়াতঃ ১৩/২০০ মাদানী
 শানে নুযুল (অবতীর্ণের প্রেক্ষাপট)

নিশ্চয় তোমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে দু’টি দলের মধ্যে, যারা পরস্পর মুখোমুখি হয়েছিল। একটি দল লড়াই করছিল আল্লাহর পথে এবং অপর দলটি কাফির। তারা বাহ্যিক দৃষ্টিতে তাদেরকে ওদের দ্বিগুণ দেখছিল। আর আল্লাহ নিজ সাহায্য দ্বারা যাকে চান শক্তিশালী করেন। নিশ্চয় এতে রয়েছে চক্ষুষ্মানদের জন্য শিক্ষা। আল-বায়ান

তোমাদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন আছে সেই দু’দল সৈন্যের মধ্যে যারা পরস্পর প্রতিদ্বন্দীরূপে দাঁড়িয়েছিল (বদর প্রান্তরে)। একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করেছিল এবং অপরদল ছিল কাফির, কাফিররা মুসলিমদেরকে প্রকাশ্য চোখে দ্বিগুণ দেখছিল। আল্লাহ যাকে ইচ্ছে স্বীয় সাহায্যের দ্বারা শক্তিশালী করে থাকেন, নিশ্চয়ই এতে দৃষ্টিমানদের জন্য শিক্ষা রয়েছে। তাইসিরুল

নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য দু’টি দলের পরস্পর সম্মুখীন হওয়ার মধ্যে মহান নমুনা রয়েছে, তাদের একদল আল্লাহর পথে সংগ্রাম করছিল এবং অপর দল অবিশ্বাসী ছিল; তারা প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে মুসলিমদেরকে দ্বিগুণ দেখেছিল এবং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তদ্বীয় সাহায্য দানে শক্তিশালী করেন, নিশ্চয়ই এর মধ্যে চক্ষুস্মানদের জন্য উপদেশ রয়েছে।


১৩. দু’টি দলের পরস্পর সম্মুখীন হওয়ার মধ্যে তোমাদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে। একদল যুদ্ধ করছিল আল্লাহর পথে, অন্য দল ছিল কাফের; তারা তাদেরকে চোখের দেখায় দেখছিল তাদের দ্বিগুণ। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আপন সাহায্য দ্বারা শক্তিশালী করেন(১)। নিশ্চয়ই এতে অস্তদৃষ্টিসম্পন্ন লোকদের জন্য শিক্ষা রয়েছে।(২)

(১) আলোচ্য আয়াতে বদর যুদ্ধের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। এ যুদ্ধে কাফেরদের সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। তাদের কাছে সাতশ উট ও একশ’ অশ্ব ছিল। অপরপক্ষে মুসলিম যোদ্ধাদের সংখ্যা ছিল তিনশ’র কিছু বেশী। তাদের কাছে সর্বমোট সত্তরটি উট, দুটি অশ্ব, ছ’টি লৌহবর্ম এবং আটটি তরবারী ছিল। মজার ব্যাপার ছিল এই যে, প্রত্যেক দলের দৃষ্টিতেই প্রতিপক্ষ দলের সংখ্যা নিজেদের চেয়ে দ্বিগুণ প্রতিভাত হচ্ছিল। এর ফলে মুসলিমদের আধিক্য কল্পনা করে কাফেরদের অন্তর উপর্যুপরি শঙ্কিত হচ্ছিল এবং মুসলিমগণও নিজেদের অপেক্ষা প্রতিপক্ষের সংখ্যা দ্বিগুণ দেখে আল্লাহ তা'আলার দিকে অধিকতর মনোনিবেশ করছিলেন। তারা পূর্ণ ভরসা ও দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর ওয়াদা- “যদি তোমাদের মধ্যে একশ ধৈর্যশীল যোদ্ধা থাকে, তবে তারা দুইশ’র বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে” [সূরা আল-আনফালঃ ৬৬]-এর ওপর আস্থা রেখে আল্লাহর সাহায্যের আশা করছিলেন। কাফেরদের প্রকৃত সংখ্যা ছিল তিনগুণ। তা যদি মুসলিমদের দৃষ্টিতে প্রতিভাত হয়ে যেত, তবে তাদের মনে ভয়-ভীতি সঞ্চার হওয়াটা ছিল সাধারণ। আবার কোন কোন অবস্থায় উভয় দলই প্রতিপক্ষকে কম দেখেছিল। [সীরাতে ইবন হিশাম]

(২) বদর যুদ্ধের কয়েকটি বিষয় ছিল অত্যন্ত শিক্ষণীয়ঃ (এক) মুসলিম ও কাফেররা যেভাবে পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল, তাতে উভয় দলের নৈতিক ও চারিত্রিক পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। তাদের একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল, অপরদল তাগুত, শির্ক ও শয়তানের পথে যুদ্ধ করছিল। আল্লাহ তার পথে যুদ্ধকারীদের অন্যদের উপর বিজয় দিয়েছিলেন। এ থেকে ইয়াহুদীরা শিক্ষা নেয়া উচিত ছিল। [আইসারুত তাফসীর] (দুই) মুসলিমরা সংখ্যায় নগণ্য ও অস্ত্রে অপ্রতুল হওয়া সত্বেও যেভাবে কাফেরদের বিশাল সংখ্যা ও উন্নত অস্ত্র-সস্ত্রের মোকাবেলা করেছে, তাতে এ কথা সুস্পষ্ট হয়েছে যে, তারা আল্লাহর সাহায্যপুষ্ট। [সা’দী] (তিন) আল্লাহর প্রবল প্রতাপ ও অসাধারণ ক্ষমতা সম্পর্কে গাফেল হয়ে যারা সংখ্যাধিক্য ও সমরাস্ত্রের শক্তিতে আত্মম্ভ্রিতায় মেতে উঠেছিল, আল্লাহ্‌ তাদেরকে পরাজিত করেছিলেন। [মানার]

তাফসীরে জাকারিয়া

(১৩) (বদর যুদ্ধে) দুইটি দলের পরস্পর সম্মুখীন হওয়ার মধ্যে তোমাদের জন্য নিদর্শন ছিল। একদল আল্লাহর পথে সংগ্রাম করছিল এবং অন্যদল অবিশ্বাসী ছিল। তারা বাহ্যদৃষ্টিতে ওদেরকে নিজেদের দ্বিগুণ দেখছিল।[1] আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা নিজ সাহায্য দ্বারা শক্তিশালী করেন। নিশ্চয় এতে অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন লোকেদের জন্য উপদেশ রয়েছে।

[1] অর্থাৎ, প্রত্যেক দল অপর দলকে নিজেদের থেকে দ্বিগুণ দেখছিল। কাফেরদের সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি ছিল। তাদের নজরে মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় দু’ হাজার দেখাচ্ছিল। এরূপ প্রদর্শনে উদ্দেশ্য ছিল, তাদের অন্তরে মুসলিমদের ভয় প্রবেশ করানো। এ দিকে মুসলিমদের সংখ্যা ছিল তিনশ’র কিছু বেশী (৩১৩ জন)। তাদের নজরে কাফেরদের সংখ্যা দেখাচ্ছিল (নিজেদের দ্বিগুণ) ছয়শ’ ও সাতশ’র মাঝামাঝি। অথচ তাদের প্রকৃত সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। এ থেকে লক্ষ্য ছিল, মুসলিমদের উৎসাহ ও উদ্দীপনাকে আরো বৃদ্ধি করা। নিজেদের সংখ্যা থেকে কাফেরদের সংখ্যা তিনগুণ দেখে মুসলিমদের ভয় পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। যখন তারা দেখলো কাফেররা তাদের থেকে সংখ্যায় তিনগুণ নয়; বরং দ্বিগুণ, তখন তাদের উৎসাহ ও মনোবল দমলো না। তবে দ্বিগুণ দেখার এই ব্যাপারটা ছিল প্রাথমিক পর্যায়ে, পরে যখন উভয় দল মুখোমুখি সারিবদ্ধ হল, তখন মহান আল্লাহ উভয় দলকে একে অপরের দৃষ্টিতে কম দেখালেন। যাতে কোন দলই যেন যুদ্ধের ময়দান থেকে পশ্চাৎপদ না হয়ে প্রত্যেকেই (আক্রমণের জন্য) সামনে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। (ইবনে কাসীর) সূরা আনফালের ৪৪ নং আয়াতে এর বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। এটা বদর যুদ্ধের ঘটনা। এ যুদ্ধ হিজরতের দ্বিতীয় বছরে মুসলিম ও কাফেরদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল। কয়েক দিক দিয়ে এটি ছিল বড়ই গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ। প্রথমতঃ এটি ছিল প্রথম যুদ্ধ। দ্বিতীয়তঃ পূর্বে কোন পরিকল্পনা ছাড়াই ছিল এই যুদ্ধ। সিরিয়া থেকে বাণিজ্য-সামগ্রী নিয়ে মক্কাগামী আবূ সুফিয়ানের কাফেলার পথ অবরোধ করার জন্য মুসলিমরা বের হয়েছিলেন। কিন্তু আবূ সুফিয়ান টের পেয়ে যায় এবং সে তার কাফেলা নিয়ে অন্য পথ ধরে চলে যায়। এদিকে মক্কার কাফেররা নিজেদের শক্তি ও সংখ্যার আধিক্যের দাম্ভিকতায় মুসলিমদের উপর আক্রমণ করার জন্য বদরের ময়দান পর্যন্ত যাত্রা করে এবং সেখানে সর্বপ্রথম এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। তৃতীয়তঃ এই যুদ্ধে মুসলিমরা আল্লাহর বিশেষ সাহায্য লাভে ধন্য হন। চতুর্থতঃ এতে কাফেররা এমন শিক্ষামূলক পরাজয় বরণ করে যে, আগামীর জন্য তাদের মনোবল ভেঙ্গে যায়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

WorldCup 2026

WorldCup 2026
2nd Round



Index
3rd Round, SemiFinal, Quarter Final, Final



জগৎরহস্য

মহাজগতের আদি-আন্ত



মনুষ্য বা প্রাণী বসবাসকারী এই পৃথিবীর জন্ম বা সূচনা মাত্র ৫০০ কোটি (প্রায়) বছর আগে। আর স্রষ্টার সৃষ্টি পুরো মহাজগতের সৃষ্টি প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে।
দৃশ্যমান কোনো বস্তুর ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র কণাকে রাসায়ণিক প্রক্রিয়ায় ভাঙলে পাওয়া যায়- অণু। অণুকে ভাঙলে পরমাণু। পরমাণুর ভিতর থাকে ইলেক্ট্রন, প্রোটন, নিউট্রন।
এই ৩টি কণা খালিচোখে দেখা যায় না। শুধু অনুভব করা যায়। গবেষণাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায়, এগুলো এক পর্যায়ে তাদের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলে, আর কিছুই থাকে না। শুধু পাওয়া যায় এনার্জি বা শক্তি। এই শক্তিই কালের পরিক্রমায় বস্তুতে পরিণত হয়। ইহাই সৃষ্টিরহস্যের ভ্রূণ উপাদান। 
বিজ্ঞানীদের মতে সৃষ্টির সূচনা হয়েছে -  বিগ ব্যাং সিংগুলারিটি-তে "Big Bang Singularity"। এই পর্যায়ে মহাবিশ্বের যাবতীয় বস্তু ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র, সীমাহীন ক্ষুদ্র একটি বিন্দুতে জমাটবাঁধা ছিল। এই বিন্দুর ঘনত্ব ছিল অসীম, বক্রতাও ছিল অসীম এবং তার আকার এতই ছোট যেন শূন্যের নামান্তর। ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন বছর আগে  এই জমাটবাঁধা বিন্দুতে বিগ ব্যাং বিস্ফোরণ ঘটে যার মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয় স্থান (Space) ও তার নিরন্তন সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া এবং কাল (Time) ও তার নিরন্ত্রণ পথচলা। (চলমান)

ELON MASK

Elon Mask

He wants to change the World, So he created SpaceX


He wanted to drive an electric car, So he founded Tesla Motors


He wanted to faster transportation, So he is developing The HyperLoop


He wanted to safe payment method, So he created PayPal


বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের সময়সূচি এবং কে কার সাথে খেলবে

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের সময়সূচি এবং কে কার সাথে খেলবে

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বটি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী খেলা। দীর্ঘরদিনের লালিত স্বপ্ন মুহূর্তেই শেষ। তাই গুরুত্ব দিয়েই সবাই জিততে চেষ্টা করবে। সময়সূচি নিম্নরূপ:  


google কী এবং এর ইতিহাস

google কী এবং এর ইতিহাস

আমরা অনেকেই জানি, অনেকেই জানি না গুগল কী এবং কাজ কী কী?

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ গুগল ছাড়া দৈনন্দিন জীবন চিন্তাও করতে পারে না এটি যেন এক বিষ্ময়কর এবং চমকপ্রদ ব্যাপার

আসলে এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন অর্থাৎ কোনো শব্দ বা তথ্য খুঁজে আমাদেরকে দেয় এবং এর বিষদ ব্যাখ্যা আমাদের সামনে হাজির করে। এতদিন মানুষ যে অনেক কিছু মুখস্ত করে নিজের মাথায় জমা রাখতো, এখন তা আর লাগে না। সবাই বলে গুগলমামা আছে তো!---
ইন্টারনেট আবিষ্কার হওয়ার পর পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ নিজের তথ্য বা নিজের কোনো চিন্তাকে অনলাইনে লিখে, যা ইন্টারনেটের বদৌলতে সারাবিশ্বের নেটে ইথারের মতো ভেসে বেড়ায়। যেমন- আমি ভাবলাম, আমার কোনো শখের বিড়ালটির ছবি এবং তার অভ্যাস সম্পর্কে লিখে নেটে ছেড়ে দেবো, তাই করলাম। ব্যাস ওমনিই সেটি সারা দুনিয়ার অনলাইনে ছড়িয়ে গেলো। এভাবে যা ইচ্ছা তাই। যেমন আমার এই নিজের কল্পনাটি লিখে আমি নেটে ছেড়ে দিলাম, এটির তথ্য ১০০% শুদ্ধ নাও হতে পারে। আর সেটি অন্য মানুষ পৃথিবীর যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইলের গুগলে গিয়ে লিখে খোঁজ করলেই পেয়ে যাবে । তবে কেউ কোনো কিছু ভুল দিলেও গুগল ভুলই দেখাবে, গুগল নিজে শুদ্ধ করে দেখানোর কোনো ক্যাপাসিটি রাখে না। তবে অন্য কেউ শদ্ধটা নেটে দিলে সেটাও গুগল দেখাবে। আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিলেন।

 

ইতিহাস:

১৯৯৫-৯৬ সালের দিকে ইন্টারনেটে জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষে ছিল yahoo, AltaVista, WebCrawler, Excite.

১৯৯৪ সালে ইয়াহু ডিরেক্টরি হিসেবে চালু হলেও ১৯৯৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ওয়েবসাইট খোঁজার জন্য বেশ জনপ্রিয় ছিল এবং

একই সাথে ইহা সার্জ ইঞ্জিন হিসেবে শব্দ বা তথ্যের পরিসংখ্যা বিশ্লষণসহ সাচিং এর কাজ করতো

 

কে জানতো আধুনিক বিশ্ব তথা ডিজিটাল বিশ্ব সার্চ ইঞ্জিন ছাড়া অচল

1994 সাল, হঠাৎ করে আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ই্উনিভার্সিটিতে পিএইচডি ডিগ্রি করা কালীন দুইজন ছাত্র ল্যারি পেজ’ সের্গেই ব্রিন’ নামক দুজন ছাত্র চিন্তা করে উল্লেখিত সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সীমাবদ্ধতা কীভাবে কাটিয়ে তোলা যায় এবং এর সার্চিং ক্যাপাসিটি কীভাবে উন্নত করা যায় সেই পাগলমনের কৌতুলকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য   সেপ্টেম্বর ১৯৯ আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানী গঠন করে এবং কোয়ান্টাম গতিতে এর কার্যক্রম, প্রচার, প্রসার শুরু করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়

 নাম দেন    : গুগোল ইনকরপোরেটেড (1998-2017)

শিল্প            : ইন্টারনেট সফ্টওয়্যার হার্ডওয়্যার

স্থান            : মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিষ্ঠাতাগণ: ল্যারি পেজ সের্গেই ব্রিন

সরদ দপ্তর   : ১৬০০ এম্পিথিয়েটার পার্কওয়ে, মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

বাণিজ্যিক অঞ্চল   : বিশ্বব্যাপি

বর্তমান কর্মীসংখ্যা   : ,৯৮,৬৯৬ (২০২৩)

ওয়েবসাইট: google.com

  

বর্তমানে শুধু তথ্য খোঁজা ছাড়াও গুগল নতুন পণ্য, অধিগ্রহণ অংশীদারত্বের সাথে সাথে কোম্পানিটির দ্রুত প্রসার ঘটে প্রোডাক্টিভিটির মধ্যে রয়েছে গুগল ডক, শিট স্লাইড পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইমেইলের মধ্যে জিমেইল/ইনবক্স সেরা । তাছাড়াও google Calendar, google translator, google map, google wage, google earth, google street view, google photo clip


বিশ্বকাপ আর ১৮৯৩ এর মধ্যে রহস্য কী?


বিশ্বকাপ আর ১৮৯৩ এর মধ্যে রহস্য কী?

আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৮৯৩ লেখা থাকে কেন? বিশ্বকাপতো শুরু হয়েছিল উরুগুয়েতো সেই ১৯৩০ সালে। কিন্তু আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৮৯৩ লিখা দেখা যায়। তাহলে এর অর্থ কী?


১৮৯৩ সংখ্যাটি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের নয়, ইহা এএফএ বা আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার সাল, যার সাথে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলট জড়িত।

স্কটিশ শিক্ষক ও ক্রীড়াবিদ আলেকজান্ডার ওয়াটসন হাটন ১৮৯৩ সালে “আর্জেন্টাইন অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল লিগ” প্রতিষ্ঠা করেন। এটিই বর্তমান আর্জেন্টিনা ফুটবল  অ্যসোসিয়েশনের ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আর্জেন্টিনার ফুটবলের জনক ‘হাটন’। ইউরোপের বাইরে এটিই বিশ্বের প্রথম জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

তাই, ফুটবল ঐতিহ্যের প্রতীক  হিসেবে আর্জেন্টিনা জার্সির পিছনের দিকে এই ১৮৯৩ সংখ্যাটি লিখা থাকে। ধন্যবাদ।