নতুন ফেনী বিনির্মাণে ফেনীর একমাত্র ব্লগ, https://fenirdorpon.blogspot.com/2026/06/blog-post.html ফেনী তথা দেশের বিভিন্ন খবরা-খবর... , খসড়া

সত্য বলি , মিথ্যা পরিহার করি; * মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে চিন্তা করি * এ জীবনে বড়াই করার কিছু নেই * মানুষের জীবন একখানা বরফখন্ড ছাড়া কিছুই নয়;

আজকের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা

২০২৬ বিশ্বকাপপ্রেমিদের জন্য আজকের খেলার সূচি 


সারাবিশ্বের ফুটবলপ্রেমিদের মতো বাংলাদেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, শহর-গঞ্জ, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরগরম হয়ে আছে ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে। নিজের দুঃখ-বেদনা যেন সবাই ভুলেই গেছে। তবে অতিরিক্ত আয়োজন বা বাড়াবাড়ি মোটেই ভালো নয়। খেলা দেখুন, উপভোগ করুন, এতেই সীমাবদ্ধ থাকা উত্তম।



মেসির হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে আলজিরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে শুভ সূচনা আর্জেন্টিনার

মেসির হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে আলজিরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে শুভ সূচনা আর্জেন্টিনার

মেসি!!! ৩৯ বছর বয়সেও পোলাতো নয় যেন আগুনের গোলা। ইতিহাস গড়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফিফা বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেই মেসি হ্যাটট্রিক করে নতুন মাইলফলক এবং ইতিহাস রচনা করলেন। মেসির হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে আলজিরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে শুভ সূচনা আর্জেন্টিনার। 

১০ নম্বর জার্সি পরে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে রেকর্ডসংখ্যক পঞ্চমবারের মতো দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপে শিরোপা জেতানো মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার এবং ২৭তম বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ডও ইতোমধ্যে নিজের করে নিয়েছেন তিনি। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার ম্যাচ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭। 
গোলের দিক থেকেও ইতিহাসের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছেন মেসি। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ১৩ গোল করেছেন তিনি। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ঝুলিতে রয়েছে ১৬ গোল। ফলে আরও চারটি গোল করতে পারলে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে যেতে পারেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অধিনায়ক হিসেবেও অনন্য এক কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন মেসি। এখন পর্যন্ত কোনো অধিনায়ক দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাননি। আর্জেন্টিনা যদি এবারও শিরোপা জিততে পারে, তবে অধিনায়ক হিসেবে দুটি বিশ্বকাপ জেতা প্রথম ফুটবলার হবেন তিনি। পাশাপাশি দল ফাইনালে উঠলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে তিনবার দলকে ফাইনালে তোলার রেকর্ডও গড়বেন মেসি। 
এর আগে তার নেতৃত্বেই ২০১৪ ও ২০২২ সালে ফাইনাল খেলেছিল আর্জেন্টিনা; একবার শিরোপা জিতেছে, আরেকবার রানার্সআপ হয়েছে। ২৩তম বিশ্বকাপ চলছে ২০২৬ সালে আমেরিকাতে।

ফেনীর মুহুরি-কহুয়া বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও মুছাপুর ক্লোজার বাঁধ প্রকল্প অনুমোদন


---ফেনীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ফেনীর মুহুরি-কহুয়া বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও মুছাপুর ক্লোজার বাঁধ নির্মাণের জন্য দীর্ঘ-আন্দোলন সংগ্রামের পর অবশেষে একনেক বৈঠকে প্রকল্প দুটির  অনুমোদন করা হয়েছে। ৭ হাজার ৩ কোটি  ৩৭ লক্ষ  টাকার মোট পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে একনেকে।  এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৩৭ কোটি ১০ লক্ষ টাকা সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বা টাকা ঋণের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ সম্পাদন করা হবে।       ------ 
মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন জনাব তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প তিনটি ও সংশোধিত প্রকল্প দুইটি।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকল্প Supporting Infrastructure Project for Chinese Economic and Industrial Zone। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প, ১. ফেনী জেলাধীন মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়) প্রকল্প, ২. করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প ও ৩. পদ্মা নদীর ভাঙন হতে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলাধীন তালবাড়িয়া এবং কুমারখালী উপজেলাধীন শিলাইদহ ইউনিয়নের কোমরকান্দি এলাকা রক্ষা (১ম সংশোধন) প্রকল্প এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্প।  

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত চারটি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় জানানো হয়। সেগুলো হলো, ১. বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, ২. নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ সাভার স্থাপন প্রকল্প, ৩. বাংলাদেশ বিমান বাহিনী স্টেশন শমসেরনগর বিদ্যমান বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাদান সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প ও  ৪. প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও ক্রিপিটক শিক্ষা কার্যক্রম ৪র্থ পর্যায় প্রকল্প। 

ড়, র, ি , ী, উ, ঊ, ষ, স –এর ব্যবহার

  • বাড়ি (বাসস্থান/হাউস), বারি (বৃষ্টি), ঝড়বৃষ্টির ঝড় বানানে ; ঝরে-পড়া স্কুলশিশু, ঝরা পাতা, বৃষ্টি ঝরেছিল, ইত্যাদি ক্ষেত্রে র। অর্থাৎঝড় যখন বিশেষ্যপদ, তখন ;    আর   ঝর যখন ক্রিয়াপদ, তখন  

বিসর্গ ‘ঃ’- এর ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ---

বিসর্গ ‘ঃ’ , এই বর্ণের প্রচুর অপব্যবহারের কারণে বাংলাভাষা দুষিত হয়ে গেছে, ফলে এবর্ণটির ভবিষ্যৎ !!
প্রতিক্লাশের ব্যাকরণ বই তথা বিভিন্ন অভিধানে বিসর্গ ‘ঃ’ বর্ণটির ব্যবহারসহ বিরাম চিহ্ন বা সংক্ষেপিকরণের নিয়ম ব্যাপকভাবে দেয়া থাকলেও লেখার ক্ষেত্রে বিষয়টি অবহেলিত।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে সোনাগাজী উপজেলাতে।

জমির veবেগ:

ফেনীর সোনাগাজীর সমুদ্র-উপকূলীয় অঞ্চলে স্থাপিত হ3
তে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। মূলত সাগর থেকে জেগে ওঠা দ্বীপেই এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি স্থাপিত হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য প্রয়োজনীয় ২০ হাজার একর জমি অধিগ্রহণের
ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত হাজী নজির আহম্মদ ব্যাডমিন্টন লীগ-এর জন্য ফেনী জেলা প্রশাসক মহোদয়কে স্পন্সার চেক প্রদান করছেন গ্রুপের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ নুর উদ্দিন এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর হাজী মোহাম্মদ নুর আজম।

এক নজরে ফেনী

অবস্থানঃ ফেনী জেলার উত্তরে কুমিল্লা জেলা ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য,দক্ষিণে চট্টগ্রাম জেলা ও বঙ্গোপসাগর,
পূর্বে চট্টগ্রাম জেলা ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা।

ফেনীর ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফেনী জেলা
জেলা
বাংলাদেশে ফেনী জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে ফেনী জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩.০১৬৭° উত্তর ৯১.৩৯১৭° পূর্ব
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
আয়তন
 • মোট৯২৮.৩৪ কিমি (৩৫৮.৪৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2011)
 • মোট১৪,৯৬,১৩৮
 • ঘনত্ব১৬০০/কিমি (৪২০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট৫৯.৬% [১]
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটhttp://www.feni.gov.bd
ফেনী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

বিশ্বায়নে মুদ্রার প্রচলন কি উঠে যাবে? ডিজিটাল কারেন্সীতে চলবে বিশ্ব, ক্ষতি কী 

আজকের বিশ্বায়ন ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলছে। এ পদ্ধতিতে সবই ডিজিটের মাধ্যমে হয়। তাহলে বাহ্যিক মুদ্রার কী দরকার। কম্পিউটার বা মোবাইলের মাধ্যমে যদি টাকা বা ডলার আদান-প্রদান করা যায় তাহলে ফুল দোকান, সব্জি দোকান, শাড়ীর দোকান, হোটেল রেস্তরায় কেন ডিজিটের লেনদেন করা যাবে না। অবশ্যই যাবে। তাহলে এত টাকা খরচ করে টাকা ছাপাতে হবে কেন? পকেটে টাকার বস্তা পেলে ডাকাত বা পকেটমারেরা কেন টাকা নিবে? মাছ কিনে আমি দোকানদারকে মোবাইল টু মোবাইল টাকা দেব অর্থাৎ ডিজিট দেব তাতে ক্ষতি কী? মাসশেষে চাকরিজীবীকে ডিজিট দেব, ব্যাস শেষ। সবক্ষেত্রে ডিজিটাল হয়ে গেলে ভিজুয়্যাল টাকার বা মুদ্রার কোনো দরকার নেই। ব্যাংকগুলোতে বস্তায় বস্তায় টাকা রাখার কী যৌক্তিকতা হতে পারে? তাহলেতো দুর্নীতিও অনেক কমে যাবে। তারই নাম ডিজিটাল। সারাবিশ্ব মিলে আমরা তাই করি। সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়।
এ কে কামাল, e-mail:kamalkhag@gmail.com, খাগড়াছড়ি।