নতুন ফেনী বিনির্মাণে ফেনীর একমাত্র ব্লগ, href="https://fenirdorpon.blogspot.com/2026/06/blog-post.html ফেনী তথা দেশের বিভিন্ন খবরা-খবর... , খসড়া>

সত্য বলি , মিথ্যা পরিহার করি; * মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে চিন্তা করি * এ জীবনে বড়াই করার কিছু নেই * মানুষের জীবন একখানা বরফখন্ড ছাড়া কিছুই নয়;

google কী এবং এর ইতিহাস

google কী এবং এর ইতিহাস

আমরা অনেকেই জানি, অনেকেই জানি না গুগল কী এবং কাজ কী কী?

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ গুগল ছাড়া দৈনন্দিন জীবন চিন্তাও করতে পারে না এটি যেন এক বিষ্ময়কর এবং চমকপ্রদ ব্যাপার

আসলে এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন অর্থাৎ কোনো শব্দ বা তথ্য খুঁজে আমাদেরকে দেয় এবং এর বিষদ ব্যাখ্যা আমাদের সামনে হাজির করে। এতদিন মানুষ যে অনেক কিছু মুখস্ত করে নিজের মাথায় জমা রাখতো, এখন তা আর লাগে না। সবাই বলে গুগলমামা আছে তো!---
ইন্টারনেট আবিষ্কার হওয়ার পর পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ নিজের তথ্য বা নিজের কোনো চিন্তাকে অনলাইনে লিখে, যা ইন্টারনেটের বদৌলতে সারাবিশ্বের নেটে ইথারের মতো ভেসে বেড়ায়। যেমন- আমি ভাবলাম, আমার কোনো শখের বিড়ালটির ছবি এবং তার অভ্যাস সম্পর্কে লিখে নেটে ছেড়ে দেবো, তাই করলাম। ব্যাস ওমনিই সেটি সারা দুনিয়ার অনলাইনে ছড়িয়ে গেলো। এভাবে যা ইচ্ছা তাই। যেমন আমার এই নিজের কল্পনাটি লিখে আমি নেটে ছেড়ে দিলাম, এটির তথ্য ১০০% শুদ্ধ নাও হতে পারে। আর সেটি অন্য মানুষ পৃথিবীর যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইলের গুগলে গিয়ে লিখে খোঁজ করলেই পেয়ে যাবে । তবে কেউ কোনো কিছু ভুল দিলেও গুগল ভুলই দেখাবে, গুগল নিজে শুদ্ধ করে দেখানোর কোনো ক্যাপাসিটি রাখে না। তবে অন্য কেউ শদ্ধটা নেটে দিলে সেটাও গুগল দেখাবে। আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিলেন।

 

ইতিহাস:

১৯৯৫-৯৬ সালের দিকে ইন্টারনেটে জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষে ছিল yahoo, AltaVista, WebCrawler, Excite.

১৯৯৪ সালে ইয়াহু ডিরেক্টরি হিসেবে চালু হলেও ১৯৯৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ওয়েবসাইট খোঁজার জন্য বেশ জনপ্রিয় ছিল এবং

একই সাথে ইহা সার্জ ইঞ্জিন হিসেবে শব্দ বা তথ্যের পরিসংখ্যা বিশ্লষণসহ সাচিং এর কাজ করতো

 

কে জানতো আধুনিক বিশ্ব তথা ডিজিটাল বিশ্ব সার্চ ইঞ্জিন ছাড়া অচল

1994 সাল, হঠাৎ করে আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ই্উনিভার্সিটিতে পিএইচডি ডিগ্রি করা কালীন দুইজন ছাত্র ল্যারি পেজ’ সের্গেই ব্রিন’ নামক দুজন ছাত্র চিন্তা করে উল্লেখিত সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সীমাবদ্ধতা কীভাবে কাটিয়ে তোলা যায় এবং এর সার্চিং ক্যাপাসিটি কীভাবে উন্নত করা যায় সেই পাগলমনের কৌতুলকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য   সেপ্টেম্বর ১৯৯ আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানী গঠন করে এবং কোয়ান্টাম গতিতে এর কার্যক্রম, প্রচার, প্রসার শুরু করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়

 নাম দেন    : গুগোল ইনকরপোরেটেড (1998-2017)

শিল্প            : ইন্টারনেট সফ্টওয়্যার হার্ডওয়্যার

স্থান            : মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিষ্ঠাতাগণ: ল্যারি পেজ সের্গেই ব্রিন

সরদ দপ্তর   : ১৬০০ এম্পিথিয়েটার পার্কওয়ে, মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

বাণিজ্যিক অঞ্চল   : বিশ্বব্যাপি

বর্তমান কর্মীসংখ্যা   : ,৯৮,৬৯৬ (২০২৩)

ওয়েবসাইট: google.com

  

বর্তমানে শুধু তথ্য খোঁজা ছাড়াও গুগল নতুন পণ্য, অধিগ্রহণ অংশীদারত্বের সাথে সাথে কোম্পানিটির দ্রুত প্রসার ঘটে প্রোডাক্টিভিটির মধ্যে রয়েছে গুগল ডক, শিট স্লাইড পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইমেইলের মধ্যে জিমেইল/ইনবক্স সেরা । তাছাড়াও google Calendar, google translator, google map, google wage, google earth, google street view, google photo clip


বিশ্বকাপ আর ১৮৯৩ এর মধ্যে রহস্য কী?


বিশ্বকাপ আর ১৮৯৩ এর মধ্যে রহস্য কী?

আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৮৯৩ লেখা থাকে কেন? বিশ্বকাপতো শুরু হয়েছিল উরুগুয়েতো সেই ১৯৩০ সালে। কিন্তু আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৮৯৩ লিখা দেখা যায়। তাহলে এর অর্থ কী?


১৮৯৩ সংখ্যাটি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের নয়, ইহা এএফএ বা আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার সাল, যার সাথে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলট জড়িত।

স্কটিশ শিক্ষক ও ক্রীড়াবিদ আলেকজান্ডার ওয়াটসন হাটন ১৮৯৩ সালে “আর্জেন্টাইন অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল লিগ” প্রতিষ্ঠা করেন। এটিই বর্তমান আর্জেন্টিনা ফুটবল  অ্যসোসিয়েশনের ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আর্জেন্টিনার ফুটবলের জনক ‘হাটন’। ইউরোপের বাইরে এটিই বিশ্বের প্রথম জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

তাই, ফুটবল ঐতিহ্যের প্রতীক  হিসেবে আর্জেন্টিনা জার্সির পিছনের দিকে এই ১৮৯৩ সংখ্যাটি লিখা থাকে। ধন্যবাদ।


আজকের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা

২০২৬ বিশ্বকাপপ্রেমিদের জন্য আজকের খেলার সূচি 


সারাবিশ্বের ফুটবলপ্রেমিদের মতো বাংলাদেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, শহর-গঞ্জ, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরগরম হয়ে আছে ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে। নিজের দুঃখ-বেদনা যেন সবাই ভুলেই গেছে। তবে অতিরিক্ত আয়োজন বা বাড়াবাড়ি মোটেই ভালো নয়। খেলা দেখুন, উপভোগ করুন, এতেই সীমাবদ্ধ থাকা উত্তম।



মেসির হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে আলজিরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে শুভ সূচনা আর্জেন্টিনার

মেসির হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে আলজিরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে শুভ সূচনা আর্জেন্টিনার

মেসি!!! ৩৯ বছর বয়সেও পোলাতো নয় যেন আগুনের গোলা। ইতিহাস গড়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফিফা বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেই মেসি হ্যাটট্রিক করে নতুন মাইলফলক এবং ইতিহাস রচনা করলেন। মেসির হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে আলজিরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে শুভ সূচনা আর্জেন্টিনার। 

১০ নম্বর জার্সি পরে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে রেকর্ডসংখ্যক পঞ্চমবারের মতো দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপে শিরোপা জেতানো মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার এবং ২৭তম বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ডও ইতোমধ্যে নিজের করে নিয়েছেন তিনি। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার ম্যাচ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭। 
গোলের দিক থেকেও ইতিহাসের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছেন মেসি। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ১৩ গোল করেছেন তিনি। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ঝুলিতে রয়েছে ১৬ গোল। ফলে আরও চারটি গোল করতে পারলে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে যেতে পারেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অধিনায়ক হিসেবেও অনন্য এক কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন মেসি। এখন পর্যন্ত কোনো অধিনায়ক দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাননি। আর্জেন্টিনা যদি এবারও শিরোপা জিততে পারে, তবে অধিনায়ক হিসেবে দুটি বিশ্বকাপ জেতা প্রথম ফুটবলার হবেন তিনি। পাশাপাশি দল ফাইনালে উঠলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে তিনবার দলকে ফাইনালে তোলার রেকর্ডও গড়বেন মেসি। 
এর আগে তার নেতৃত্বেই ২০১৪ ও ২০২২ সালে ফাইনাল খেলেছিল আর্জেন্টিনা; একবার শিরোপা জিতেছে, আরেকবার রানার্সআপ হয়েছে। ২৩তম বিশ্বকাপ চলছে ২০২৬ সালে আমেরিকাতে।

ফেনীর মুহুরি-কহুয়া বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও মুছাপুর ক্লোজার বাঁধ প্রকল্প অনুমোদন


---ফেনীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ফেনীর মুহুরি-কহুয়া বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও মুছাপুর ক্লোজার বাঁধ নির্মাণের জন্য দীর্ঘ-আন্দোলন সংগ্রামের পর অবশেষে একনেক বৈঠকে প্রকল্প দুটির  অনুমোদন করা হয়েছে। ৭ হাজার ৩ কোটি  ৩৭ লক্ষ  টাকার মোট পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে একনেকে।  এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৩৭ কোটি ১০ লক্ষ টাকা সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বা টাকা ঋণের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ সম্পাদন করা হবে।       ------ 
মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন জনাব তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প তিনটি ও সংশোধিত প্রকল্প দুইটি।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকল্প Supporting Infrastructure Project for Chinese Economic and Industrial Zone। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প, ১. ফেনী জেলাধীন মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়) প্রকল্প, ২. করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প ও ৩. পদ্মা নদীর ভাঙন হতে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলাধীন তালবাড়িয়া এবং কুমারখালী উপজেলাধীন শিলাইদহ ইউনিয়নের কোমরকান্দি এলাকা রক্ষা (১ম সংশোধন) প্রকল্প এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্প।  

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত চারটি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় জানানো হয়। সেগুলো হলো, ১. বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, ২. নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ সাভার স্থাপন প্রকল্প, ৩. বাংলাদেশ বিমান বাহিনী স্টেশন শমসেরনগর বিদ্যমান বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাদান সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প ও  ৪. প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও ক্রিপিটক শিক্ষা কার্যক্রম ৪র্থ পর্যায় প্রকল্প। 

ড়, র, ি , ী, উ, ঊ, ষ, স –এর ব্যবহার

  • বাড়ি (বাসস্থান/হাউস), বারি (বৃষ্টি), ঝড়বৃষ্টির ঝড় বানানে ; ঝরে-পড়া স্কুলশিশু, ঝরা পাতা, বৃষ্টি ঝরেছিল, ইত্যাদি ক্ষেত্রে র। অর্থাৎঝড় যখন বিশেষ্যপদ, তখন ;    আর   ঝর যখন ক্রিয়াপদ, তখন  

বিসর্গ ‘ঃ’- এর ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ---

বিসর্গ ‘ঃ’ , এই বর্ণের প্রচুর অপব্যবহারের কারণে বাংলাভাষা দুষিত হয়ে গেছে, ফলে এবর্ণটির ভবিষ্যৎ !!
প্রতিক্লাশের ব্যাকরণ বই তথা বিভিন্ন অভিধানে বিসর্গ ‘ঃ’ বর্ণটির ব্যবহারসহ বিরাম চিহ্ন বা সংক্ষেপিকরণের নিয়ম ব্যাপকভাবে দেয়া থাকলেও লেখার ক্ষেত্রে বিষয়টি অবহেলিত।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে সোনাগাজী উপজেলাতে।

জমির veবেগ:

ফেনীর সোনাগাজীর সমুদ্র-উপকূলীয় অঞ্চলে স্থাপিত হ3
তে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। মূলত সাগর থেকে জেগে ওঠা দ্বীপেই এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি স্থাপিত হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য প্রয়োজনীয় ২০ হাজার একর জমি অধিগ্রহণের